The High Court has ruled that the rule should be made absolute, directing the proper maintenance of Dhaka University's central playground and other playgrounds.
প্রেস
বিজ্ঞপ্তি
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠসহ অন্যান্য খেলার মাঠ যথাযথ ভাবে সংরক্ষনের নির্দেশনা
দিয়ে রুল অ্যাবসলিউট করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বিগত ২৪.০৯.২০১৩ইং তারিখে প্রিন্ট মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত
হয় যে, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠ
থাকলেও খেলার সুযোগ পাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা। কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সহ বড় মাঠগুলো ভাড়া
দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ” উক্ত
সংবাদ প্রকাশিত হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস গ্রাউন্ড থেকে নির্মাণ মালামাল অপসারণ
এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে খেলাধুলার
কার্যক্রম চলমান নিশ্চিত করতে নির্দেশনা চেয়ে ২০১২ সালে HRPB জনস্বার্থে একটি রীট পিটিশন
দায়ের করেন। শুনানী শেষে ২৬.০৯.২০১২ইং তারিখে হাইকোর্ট এর একটি ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয়
খেলার মাঠ কেন সংরক্ষন করা হবে না মর্মে রুল জারী করেন এবং সেই সাথে মামলার বিবাদীদেরকে
(২-৫ নং) ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোটর্স গ্রাউন্ড থেকে নির্মাণ মালামাল
সরিয়ে নিতে এবং ছাত্রদের খেলাধুলার কার্যক্রম নিশ্চিত কতে নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ২
(দুই) সপ্তাহের মধ্যে আদালতে রিপোর্ট দাখিল করতে বলা হয়।
রীট মামলাটি শুনানীর জন্য আবেদন জানানো হলে বিচারপতি মোঃ
সোহরাওয়ারদী এবং বিচারপতি দিহিদার মাসুম কবীর এর আদালতে শুনানী অনুষ্ঠিত হয়। শুনানী
চলাকালে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল খেলার মাঠ, জগন্নাথ হল খেলার মাঠ, হাজী মুহাম্মদ
মহসিন হল খেলার মাঠ, কবি জসিম উদ্দিন হল খেলার মাঠ, ফজলুল হক মুসলিম হল খেলার মাঠ,
ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হল খেলার মাঠ এবং রোকেয়া হল খেলার মাঠগুলো রক্ষা এবং সকল
মাঠ সমূহ যথাযথ অবস্থায় আনার জন্য HRPB এক সম্পূরক আবেদন দাখিল করা হয়।
শুনানীতে HRPB পক্ষের বিজ্ঞ কৌশুলী সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল
মোরসেদ বলেন, মহানগরী, বিভাগীয় শহর ও জেলা শহরের পৌর এলাকাসহ দেশের সকল পৌর এলাকার
খেলার মাঠ উন্মুক্ত স্থান, উদ্যান এবং প্রাকৃতিক জলাধার আইন, ২০০০ এর বিধান অনুসারে
খেলার মাঠের প্রকৃতি পরিবর্তন করা নিষেধ এবং দন্ডনীয় অপরাধ। তা সত্বেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ দখল করে ব্যবসায়িক মালামাল রেখে ছাত্র-ছাত্রীদের খেলাধুলা থেকে
বঞ্চিত করা হয়েছে।
শুনানী শেষে আজ আদালত কয়েকটি নির্দেশনাসহ রুল অ্যাবসলিউট
করে রায় দেন। আদালত বলেন স্পোটর্স গ্রাউন্ড ছাত্রদের জন্য অত্যাবশক। ছাত্রদের শারীরিক
সুস্থতা, মানসিক বিকাশ, সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা এবং মানুষিক বিষন্নতা দুর করণে স্পোটর্স
গ্রাউন্ডের ভূমিকা অপরিসীম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল স্পোটর্স গ্রাউন্ড বা ‘খেলার
মাঠ সংরক্ষন বরার আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
রীট মামলায় HRPB বাদী পক্ষে পিটিশনার অ্যাডভোকেট হলেন মোঃ
ছাওয়ার আহাদ চৌধুরী এবং অ্যাডভোকেট এখলাছ উদ্দিন ভূইয়া। বিবাদীরা হলেন সচিব পরিবেশ
মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, রেজিষ্ট্রার, সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার
সহ মোট ৫ জন।
বাদী পক্ষে শুনানী করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।
তাকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট সঞ্জয় মন্ডল। সরপক্ষে ছিলেন DAG মোঃ আনিছুর রহমান খান
এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর এর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মুনিরুজ্জামান।
বার্তা প্রেরক-
মনজিল মোরসেদ
সিনিয়র অ্যাডভোকেট
তারিখ: ১২.১১.২০২৫ইং