The High Court has directed that steps be taken to ensure that no other mountains, including those cut down by the government, are cut down for the construction of the University of Technology building in Rangamati.
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রাঙ্গামাটিতে প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভবন নির্মাণে পাহাড় কাটা সহ অন্য যেকোনো পাহাড় কাটতে না পারে সে ব্যাপারে
পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দিয়েছে হাইকোর্ট ।
রাঙ্গামাটি
জেলায় প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ভবন নির্মাণ করতে কাটা হচ্ছে পাহাড় এ ব্যাপারে মিডিয়ায়
সংবাদ প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ একটি রিট পিটিশন
দায়ের করলে আজ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানি
শেষে বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজি এবং বিচারপতি রাজিউদ্দিন আহমেদ এর আদালত রাঙ্গামাটি
জেলার পাহাড় কাটা বন্ধে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং রাঙ্গামাটি
জেলার পাহাড় কাটা বন্ধে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না এবং যে পাহাড় কাটা হয়েছে সেগুলোকে
মাটি ভরাট করার জন্য কেন নির্দেশ দেয়া হবে না সেই মর্মে চার (৪) সপ্তাহের রুল জারি
করেছেন।
আদালত
এক অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের পরিচালক ডিসি এসপি রাঙ্গামাটি
এবং ইউএনও ওসি রাঙ্গামাটি সদরকে রাঙ্গামাটি জেলায় প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সহ কেহ
যেন পাহাড় কাটতে না পারে সে মর্মে মনিটরিং টিম গঠন করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা
দেওয়া হয়েছে এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করে তিন মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ
দেয়া হয়েছে
শুনানিতে
HRPB পক্ষের কৌশলী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন পরিবেশ আইনের ছয় ধারায় পাহাড় কাটার
উপর বিধি নিষেধ রয়েছে এমনকি কেহ পাহাড় কাটলে তার বিরুদ্ধে ১৫ ধারায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থার
নির্দেশনা রয়েছে তিনি আরো বলেন পরিবেশের অনুমতি ছাড়া প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ
পাহাড় কেটে পরিবেশ ধ্বংস করছে। রাঙ্গামাটিতে প্রশাসনের সামনে এ কার্যক্রম চললেও কোন
ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না এ কারণে তিনি আদালতের নির্দেশনা প্রার্থনা করেন।
রিটকারী হলেন HRPB পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সারোয়ার আহাদ চৌধুরী এবং অ্যাডভোকেট একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া বিবাদীরা হলেন পরিবেশ সচিব ডিজি পরিবেশ পরিচালক পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম ডিসি ওএসপি রাঙ্গামাটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ওসি রাঙ্গামাটি সদর এবং রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাইস চ্যান্সেলর।
রিট মামলা শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। তাকে সহযোগিতা করেন এডভোকেট সঞ্জয় মন্ডল। সরকার পক্ষে ছিলেন ডিএজি মেহেদী হাসান।
বার্তা
প্রেরক-
মনজিল মোরসদ
সিনিয়র অ্যাডভোকেট